ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের স্বাক্ষর জাল করে একটি চক্র ১০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন সংসদ সদস্য নিজেই। শুক্রবার তিনি অনেকটা গোপনীতার সঙ্গে জিডি করেন। তবে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তিনি বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে অবগত করেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, আমি খন্দকার আবু আশফাকের স্বাক্ষর জাল করে তার নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে ঋণ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করা হয়। প্রস্তাবনায় একশ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে নিতে আশফাকের স্বাক্ষর জাল করে একটি অঙ্গীকারনামা তৈরি করা হয়। যাতে লেখা আছে একশ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে নিয়ে সংসদ সদস্য তার কোটার কাজ দিয়ে পরিশোধ করবেন। বিষয়টি জানার পর তিনি বা তার পক্ষের লোকজন খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার স্বাক্ষর ব্যবহার করে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করছে চক্রটি।প্রতারক চক্রের মাধ্যমে যাতে কোনো আর্থিক লেনদেন বা ঋণ অনুমোদন না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাল স্বাক্ষর ও কাগজপত্র তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় জিডি করা হয়। সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক বলেন, তার স্বাক্ষর জাল করে ১০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তার অনুমতি ছাড়া তার স্বাক্ষর ও পরিচয় ব্যবহার করে কোনো ধরনের আর্থিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ নেই। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়েছে এবং তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানার ওসি আবু হানিফ বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর এ ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে, তা জানা যাবে।
Leave a Reply