কুষ্টিয়ার মিরপুরে কলেজ থেকে ফেরার পথে এক শিক্ষককে হাতুড়ি ও রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ সোমবার দুপুরে কলেজ থেকে ক্লাস শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে নওদা আজমপুর মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষকের নাম মখলেসুর রহমান। তিনি আজমপুর টেকনিক্যাল কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে যুবদল কর্মী মিজানের সঙ্গে ওই শিক্ষকের বিরোধ চলছিল।আজ মিজান ও তার অনুসারী রনি, কামাল, ইন্টু, বিপ্লব,হাসান, সাগর, ময়ি খা ও মিঠুসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে শিক্ষককে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকলে তিনি গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই শিক্ষক জানান, জমিজমা নিয়ে মামলা চলছে, অভিযুক্ত মিজান ৫ লাখ টাকা চেয়েছে, দিতে অস্বিকৃতি জানানোর পর আমাকে এভাবে হামলা করা হয়।পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে মোখলেস নামে এক কলেজ শিক্ষককে পেটানোর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে আগে থেকেই জমি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে। আহত শিক্ষক বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
Leave a Reply