1. info@doharbarta24.com : Dohar Barta24 :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন
Title :
স্বার্থান্বেষী মহলের উগ্রতা: সংকটে পড়তে পারে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি! বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঈদ উপহার পৌঁছে দিল ‘শান্তির অভিযাত্রী’ সংগঠন ইউএনওকে যাত্রী ভেবে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি, ২ মাহেন্দ্র চালককে জরিমানা সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি যুবক নিহত Honor to Iran – মোহাম্মদ হাকিম জাতীয় হাদিস প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দোহারের ফুরকান আহমাদ দোহারে তিন হাজার পাঁচশত পাঁচ পিস ইয়াবাসহ ৬ জন গ্রেপ্তার রাজনীতিতে শিক্ষা দরকার কিন্তু নির্বাচনে কী দরকার? এশিয়া বার্তা পরিবারের আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত শ্রীনগরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ নবাবগঞ্জে বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত দোহারের ইমামনগরে ফসলি জমি কেটে সাবার নবাবগঞ্জের নয়নশ্রী থেকে ৪২ লিটার দেশীয় মদসহ গ্রেপ্তার ১ বিমানবন্দরে ৪ হাজার ৩৬৪ পিস ইয়াবা সহ দোহারের যুবক আটক শ্রীনগরে বাঘড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে গুলি, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৩ এ যেন দোহার-নবাবগঞ্জের মেধাবীদের মিলনমেলা দোহারে কিশোরকে ছুরিকাঘাত, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ শ্রীনগরে ফেইক আইডি দিয়ে প্রেম ব্ল্যাকমেইল, আটক ১ দোহারে পিসওয়ে হিউম্যান রাইটস সোসাইটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল রোজাদার ব্যক্তিকে পুরস্কার দেবেন আল্লাহ

মহানবী (সা.) রমজানে রাত জাগতে উৎসাহ দিয়েছেন

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫
  • ১২১ Time View

রমজান ইবাদতের মাস। এই মাসেই পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর সাহাবিগণ এ মাসকে দারুণভাবে বরণ করতেন। এ মাসের মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্বের ভিন্নরকম আমেজ কাজ করত নারী-পুরুষ, যুবক-বৃদ্ধ—সবার মধ্যে। সবাই এ মাসে ইবাদতের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতেন। রমজানে দিনের বেলায় সিয়াম সাধনার পর রাতের বেলায় চলত কিয়ামুল্লাইল তথা তারাবি ও তাহাজ্জুদ। দীর্ঘ তারাবির পাশাপাশি তাঁরা তাহাজ্জুদও পড়তেন রাত জেগে। এ কাজে তাঁদের উদ্বুদ্ধ করত নবীজির সেই বিখ্যাত হাদিস, যেটি হজরত আবু হুরাইরা (রা.) নবী (সা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইমান ও সওয়াব লাভের আশায় এর সঙ্গে রোজা রাখবে, তাঁর অতীতের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি রমজানে রাতের নামাজ আদায় করবে ইমান ও সওয়াবের আশায়, তাঁরও অতীতের সব গুনাহ (সগিরা) ক্ষমা করে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি কদরের রাতে ইমান ও সওয়াবের আশায় রাত জেগে ইবাদত করবে, তাঁরও অতীতের সব গুনাহ (সগিরা) মুছে দেওয়া হবে। (বুখারি ও মুসলিম) এ বিষয়ে আরও একটি চমৎকার হাদিস বর্ণনা করেছেন হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.)। রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন, ‘রোজা ও কোরআন বান্দার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে। রোজা আবেদন করে বলবে, হে রব, আমি তাঁকে দিনের বেলা খানাপিনা ও যৌনচাহিদা চরিতার্থ করা থেকে নিবৃত্ত রেখেছি। তাঁর পক্ষে আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন। কোরআন বলবে, ‘হে রব, আমি তাঁকে রাতের বেলায় ঘুম থেকে বিরত রেখে নামাজে ব্যস্ত রেখেছি। আপনি তাঁর ব্যাপারে আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন।’ (শুআবুল ইমান) রমজানের প্রথম দুই দশক সম্পর্কে হাদিসের ভাষ্য থেকে বোঝা যায়, এ সময়ে রাসুলুল্লাহ (সা) রাত জাগতেন। খুব অল্পসময়ই ঘুমাতেন; বাকি সময় ইবাদতে কাটাতেন। তবে রমজানের শেষ দশকে শুধু নিজেই রাত জাগতেন না, পরিবারকেও রাত জাগতে উৎসাহ দিতেন। এ প্রসঙ্গে হজরত আয়েশা রা. বলেন, ‘নবী (সা.) রমজানের শেষ দশকে এত বেশি পরিশ্রম করতেন, যা তিনি অন্যসময় করতেন না।’ (বুখারি ও মুসলিম)

হজরত আয়েশা রা. থেকে আরেকটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘যখন রমজানের শেষ দশকের আগমন হতো, তিনি কোমর বেঁধে ইবাদত করতেন। নিজেও রাত জাগতেন এবং পরিবারের লোকদেরও জাগিয়ে দিতেন।’ (বুখারি ও মুসলিম) সায়েব ইবনে ইয়াজিদ বলেন, হজরত ওমর (রা.)-এর নির্দেশে হজরত উবাই ইবনে কাআব ও তামিমে দারি (রা.) আমাদের তারাবি পড়াতেন। তিনি এক এক রাকাতে দুশ আয়াতও তিলাওয়াত করতেন। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানোর ফলে আমরা ক্লান্ত হয়ে লাঠির ওপর ভর দিতাম। নামাজ শেষ হতে হতে সুবহে সাদিকের সামান্য সময় বাকি থাকত। (বায়হাকি)

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবুবকর বলেন, ‘আমি আমার বাবাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন, রমজানে তারাবির নামাজ থেকে যখন আমরা বাসায় ফিরতাম, তখন ভৃত্যরা সাহরির খাবার নিয়ে তাড়াহুড়ো করত সুবহে সাদিক উদিত হয়ে যাওয়ার ভয়ে।’ (মুয়াত্তা মালিক)

ইয়াজিদ ইবনে খুসাইফা সায়েব বিন ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ‘সাহাবায়ে কেরাম হজরত ওমর (রা)-এর শাসনামলে বিশ রাকাত তারাবি পড়তেন। তাঁরা দীর্ঘ দীর্ঘ কেরাত পড়তেন। হজরত ওসমান বিন আফফানের যুগে এসে প্রচণ্ড ক্লান্তিতে লাঠিতে ভর করতে হতো।’ (বায়হাকি)সংক্রান্ত আরও বহু ঘটনা হাদিসগ্রন্থগুলোতে পাওয়া যায়। বর্তমান সময়ে এসে আমাদের শক্তি-সামর্থ্য কমে এসেছে। যাদের সুযোগ ও সামর্থ্য আছে তাঁদের রাত জেগে ইবাদত করা উত্তম। আর যাদের সে সামর্থ্য নেই, তাঁরা যতটুকু সম্ভব রাত জেগে তারাবি, তাহাজ্জুদ ও তিলাওয়াতে কাটানোর চেষ্টা করা উচিত।

আবদুল আযীয কাসেমি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: MMCIT