1. info@doharbarta24.com : Dohar Barta24 :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
Title :
স্বার্থান্বেষী মহলের উগ্রতা: সংকটে পড়তে পারে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি! বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঈদ উপহার পৌঁছে দিল ‘শান্তির অভিযাত্রী’ সংগঠন ইউএনওকে যাত্রী ভেবে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি, ২ মাহেন্দ্র চালককে জরিমানা সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি যুবক নিহত Honor to Iran – মোহাম্মদ হাকিম জাতীয় হাদিস প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দোহারের ফুরকান আহমাদ দোহারে তিন হাজার পাঁচশত পাঁচ পিস ইয়াবাসহ ৬ জন গ্রেপ্তার রাজনীতিতে শিক্ষা দরকার কিন্তু নির্বাচনে কী দরকার? এশিয়া বার্তা পরিবারের আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত শ্রীনগরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ নবাবগঞ্জে বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত দোহারের ইমামনগরে ফসলি জমি কেটে সাবার নবাবগঞ্জের নয়নশ্রী থেকে ৪২ লিটার দেশীয় মদসহ গ্রেপ্তার ১ বিমানবন্দরে ৪ হাজার ৩৬৪ পিস ইয়াবা সহ দোহারের যুবক আটক শ্রীনগরে বাঘড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে গুলি, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৩ এ যেন দোহার-নবাবগঞ্জের মেধাবীদের মিলনমেলা দোহারে কিশোরকে ছুরিকাঘাত, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ শ্রীনগরে ফেইক আইডি দিয়ে প্রেম ব্ল্যাকমেইল, আটক ১ দোহারে পিসওয়ে হিউম্যান রাইটস সোসাইটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল রোজাদার ব্যক্তিকে পুরস্কার দেবেন আল্লাহ

রাজনীতিতে শিক্ষা দরকার কিন্তু নির্বাচনে কী দরকার?

  • Update Time : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ২৪৬ Time View

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে অনেকেই দেখি শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে মাতামাতি করতেছে। এদের বেশিরভাগ হচ্ছে কিছু করতে না পারা শিক্ষিত গ্রুপ।
দশজন মানুষের সাথে কানেক্টিভিটি নাই কিন্তু হতে চায় এমপি। একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই, নিলা মার্কেটে হাঁসের মাংস দিয়ে নাস্তা করা সদ্য সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া। সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিন মানিক মিয়া এভিনিউতে একটা ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানে সর্বসাকুল্যে লোক ছিল ১৯জন ছবিতেই গুণে পাইলাম।

ঢাকায় চা খেতে গেলেও এই কয়টা পোলাপান নিয়ে যেকোনো ওয়ার্ড রাজনীতি করা নেতারা একসাথে খায়। গ্রামের ওয়ার্ড ইউনিয়ন পর্যায়ের রাজনীতি যারা করে তারা মনপ্রাণ দিয়েই করে। এখানে উড়ে আসা জুড়ে বসাদের কথা কেউ ভাববেন না। প্রকৃত রাজনীতিবিদ।
৫ই আগস্টের পর একদিন দুপুরবেলা ঘুরতে ঘুরতে এক চায়ের দোকানের সামনে গিয়ে বসলাম, একটা বটগাছের নিছে। দলবদল করা এক নেতা আসলো। উনি দলবদলকে এক প্রকার আর্টে পরিণত করছেন।

ভাবখানা আদি জমিদারদের মতো। নামে হয়তো চিনে কিন্তু সরাসরি চিনতে পারে নাই। বসে স্থানীয় মানুষদের ফোন দেওয়া শুরু করলো, এই হালেম কইরে? এই খোকন কই বটতলা আসছি, কিছুক্ষণের ভেতরই খালি গায়ে লুঙ্গি পরা বেশকিছু মানুষ জড়ো হয়ে গেলো। তারপর শুরু হলো কিচ্ছা কাহিনি কি যে গল্প। খুব মজা নিয়ে শুনতে ছিলাম।

এই লোকের মোবাইলে রিকশাঅলা থেকে শুরু করে কামলা কৃষাণের নাম্বার আছে। তাদের সাথে সম্পর্কের ভিত্তি দেখে চমকে উঠলাম। এই লোক কিন্তু কোনো শিক্ষিত না নূন্যতম স্কুল শিক্ষাও তিনি পান নাই। আইচ্ছা এই লোকের সাথে আত্মঅহমিকায় ভরা নামধারী শিক্ষিত কেউ নির্বাচন করলে সে কখনো জয়ী হতে পারবে? নিজেকে শিক্ষিত দাবি করে সমাজ থেকে দূরে রেখেছো। যারা সমাজ বিনির্মান করতে গিয়ে জীবন যৌবন কাটিয়ে দিয়েছে তাদেরকে বলো নির্বাচন করতে পারবে না। এটা যৌক্তিক কিছু হলো না।

তুমি ফেসবুকে এসে কান্নাকাটি না করে সমাজে গিয়ে ঐ মূর্খ লোকের মতো কানেক্টিভিটি বাড়াও। এটা তোমার দ্বারা সম্ভব কিনা আগে ভাবো? তারপর শিক্ষার ব্যাপারটা দেখা যাবে। উন্নত দেশের কথা বলা মানে বোকামো। তুমি অহংকারের প্রাচীর ঘিরে রেখেছো নিজেকে। প্রতিবেশীর সাথেও নাই তোমার ভালো সম্পর্ক নিজেকে সমাজের যোগ্য কেমনে মনে করো? বর্তমান কৃষি মন্ত্রী তারেক রহমানের সেরা আবিষ্কার। বাড়ি কুমিল্লা একজন সফল উদ্যোক্তা। কিন্তু তার চলাচল সরল, একেবারেই প্রান্তিক মানুষের সাথে উঠাবসা। নাই টাকার গরম নাই শিক্ষার অহংকার। নিজেকে শিক্ষিত শিক্ষিত করে বিভাজনের কী দরকার? সমাজে উনাদের কন্ট্রিবিউশান অনেক বেশি কিছুদন তাদের আশেপাশে ঘুরে দেখুন।

এই জন্যই শিশির মনিররা হুট করে এলাকায় গিয়ে এমপি হতে চেয়েও পারে না। হাসনতকেও কৌশলে ক্ষমতা ব্যবহার করে সরাতে হয় অপজিট প্রার্থীকে। গোলাম পরওয়ারের ভূয়া অধ্যাপক ডেজিগনেশন কেউ খায় না। ডক্টর শফিকুর রহমান পঞ্চাশ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ‘২৬ এর আগে নিজ গ্রাম থেকে কখনো পাশ করতে পারেনি।
‘২৪ এর পর অনেকেই সংগ্রামি হয়ে উঠছে কিন্তু নেতা কি হতে পারছে? অনেক বড়ো বড়ো নেতা যেমন দেখেছি অনেক ছোট ছোট নেতাও দেখেছি।
দোহারের সবচেয়ে মেধাবী হিসেবে পরিচিত অনলাইনে তারও ছোট্ট একটা নির্বাচন করতে হয়েছে জোর খাটিয়ে। এখন শুনি উপজেলা নির্বাচন করবে।

কবি নজরুলেরও নির্বাচন করে পরাজিত হওয়ার রেকর্ড আছে। অথচ নজরুল কবিতার মাধ্যমে পৌছে গিয়েছিল জমিদার বাড়ির অন্দরমহল থেকে গ্রামের অজপাড়াগাঁয়ের প্রান্তিক মানুষের ঘরে।’ ৭০ এর নির্বাচনে জমিদার প্রার্থীদের পরাজিত করেছিল সাধারণ ঘর থেকে উঠে আসা ছাত্র নেতারা। তখন ছাত্র নেতা মানে সম্মান এবং ভালোবাসার নাম। নাসির পাটোয়ারী সেই থিউরি এপ্লাই করেছিলেন নোংরামির মাধ্যমে যা সাধারণ মানুষের মনে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে। রাজনীতি থেকে নাসির পাটোয়ারীর এই নোংরামির চর্চা খুব সহজে দূর হচ্ছে না। নোংরামি না করে উচিত ছিল সাধারণ মানুষের সাথে কানেক্টিভিটি বাড়ানো।
বামপন্থী রাজনীতি করা নাসির পাটোয়ারী সেটা না করে বামপন্থী স্টাইলে মাইক পাইলে চিল্লানোর পুরনো পদ্ধতিই গ্রহণ করলেন। এতে মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হচ্ছে। এই ঘৃণ্য রাজনৈতিক চর্চা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। রাজনীতি হতে হবে সাধারণ মানুষের জন্য, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা যেমন দরকার তেমনি দরকার ন্যাচারল্লি রাজনৈতিক শিক্ষাও।

আবুল বাশার,
আইনজীবী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: MMCIT