রাজধানী ঢাকার পাশে থেকেও দোহার-নবাবগঞ্জ এখনো বহু নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আমি এই অঞ্চলকে দেশের অন্যতম পরিকল্পিত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক এলাকায়
পরিণত করার চেষ্টা করব। ২. শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ :-
* এলাকার সব স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও এতিমখানার সংস্কার।
* আধুনিক শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠন।
* প্রতিটি মসজিদ ও মাদ্রাসায় একটি করে লাইব্রেরি স্থাপন।
মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য "শিক্ষা বৃত্তি” ব্যবস্থা গ্রহণ।
* কারিগরি ও আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে তরুণদের কর্মসংস্থানের পথ উন্মুক্ত করা।
* ধর্মীয় সম্প্রীতি, সামাজিক ঐক্য ও স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ।
* বার্ষিক উৎসব ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন।
৩. * দোহার ও নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও বিশেষায়িত সেবা চালু।
উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত ঃ-
* দোহার-নবাবঞ্জকে আই ক্যাম্পের মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যে মুক্ত করব।
* দরিদ্র, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য স্বাস্থ্যকার্ড কর্মসূচী চালু করা।
৪. প্রবাসী কল্যাণ ও বিনিয়োগ সুরক্ষা:-
* প্রবাসী ভাই-বোনদের সম্পদ ও সম্মান রক্ষায় আইনগত সহায়তা কেন্দ্র গঠন।
* তাদের মূলধনের নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি।
* প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে দোহার নবাবগঞ্জ পৃথক "এক্সপ্যাট সাপোর্ট সেল" গঠন
৫. পরিবহন ও অবকাঠামো উন্নয়ন:-
* সকল রাস্তা-ঘাট, সেতু ও কালভার্ট সংস্কার করে টেকসই ও নিরাপদ করে গড়ে
তোলার চেষ্টা করব।
* ঢাকা শহরের সঙ্গে দ্রুত ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত ও আধুনিক যানবাহন প্রসার ঘটাবো এবং ফিটনেস বিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নিব।
* গ্রামীন সড়ক, বাজার ও শিল্পায়নের ড্রেনেজ ও পরিবহন নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন।
* প্রতিটি গ্রামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করব।
৬. কৃষির আধুনিকায়ন ও কৃষকদের কল্যাণ সাধন:-
* আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও যান্ত্রিকীকরণে সহায়তা প্রদান করা।
কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন।
সার, বীজ ও কীটনাশক সহজলভ্য ও ভর্তুকিযুক্ত করা।
* কৃষকদের জন্য স্বল্পসুদে কৃষিঋণ ও বিশেষ তহবিল গঠন করব।
* নদী ভাঙন ও সেচ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি জমি রক্ষার চেষ্টা করব।
৮. তাঁত শিল্পে নবজাগরণ :-
* দোহারনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন।
* তাঁতশিল্পীদের প্রশিক্ষণ, বাজার সম্প্রসারণ ও রপ্তানি সুযোগ সৃষ্টি।
* "হেরিটেজ টেক্সটাইল পার্ক" প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
৯. ইছামতী নদীর পুনরুজ্জীবন:-
* ইছামতী নদীতে ড্রেজিং ও পদ্মা নদীর সঙ্গে সুইস গেইট সংযোগ স্থাপন।
* নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে এনে শিল্প ও পর্যটন নগরী গড়ে তোলা।
* নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি তীর রক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন।
১০. গ্যাস সংযোগ ও জ্বালানি নিরাপত্তা:-
* প্রতিটি ঘরে গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
* নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে (সোলার ও বায়োগ্যাস) বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
* গ্যাস লাইন রক্ষণাবেক্ষণে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত।
১১. নারী ও সমাজ উন্নয়ন:-
* নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও নেতৃত্বে অংশগ্রহণ নিশ্চিত।
* নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইনি সহায়তা সেল গঠন।
* বিধবা, অসহায় ও একক মায়েদের জন্য মাসিক ভাতা।
নারীদের জন্য ক্ষুদ্রঋণ ও উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রকল্প চালু।
১৩. স্বচ্ছতা ও জনগণের অংশগ্রহণ:-
* জনগণের পরামর্শে "ওপেন বাজেট সভা" চালু।
দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা।
* প্রতিটি উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনগণের মতামতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া।